SalafiPoth
Thursday, 9 August 2012
Friday, 22 June 2012
আওলীয়া গনের কিরামতি
আওলীয়া গনের কিরামতি
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদার অন্যতম অংশ হচ্ছে আউলীয়াদের কারামত এবং আল্লাহ তা’আলা তাদের হাতে অলৌকিক ও সাধারণ অভ্যাসের বিপরীত যে সমস্ত ঘটনা প্রকাশ করেন তাতে বিশ্বাস করা। তবে অলী হওয়ার জন্য কারামত প্রকাশিত হওয়া জরুরী নয়। আউলীয়াদের কারামত সত্য। আল্লাহ তাআ’লা তাদের হাতে অলৌকিক ও সাধারণ নিয়মের বিপরীত এমন ঘটনা প্রকাশ করে থাকেন যাতে তাদের কোন হাত নেই। তবে কারামত চ্যালেঞ্জ আকারে প্রকাশিত হয় না; বরং আল্লাহই তাদের হাতে কারামত প্রকাশ করেন। এই উম্মাতের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ও বড় বড় কারামত প্রকাশিত হয়েছে। কারণ আমাদের নবীর মুজিযাগুলো হচ্ছে বড় বড় এবং আল্লাহ্ তাআলার নিকট তাঁর সম্মানও অনেক বড়।প্রত্যেক পরহেজগার মু’মিনই আল্লাহর অলী। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
)أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا وَكَانُوا يَتَّقُونَ لَهُمْ الْبُشْرَى فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ(
“মনে রেখো যে, আল্লাহর অলীদের কোন ভয় নেই। আর তারা বিষন্নও হবেনা। তারা হচ্ছে সেই সমস্ত লোক যারা ঈমান এনেছে এবং পরহেজগারিতা অবলম্বন করে থাকে। তাদের জন্যে সুসংবাদ রয়েছে পার্থিব জীবনে এবং পরকালেও”। (সূরা ইউনূসঃ ৬২-৬৪)
জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও ইসলামের বিধান; Family planning in Islam
জন্ম নিয়ন্ত্রণ আন্দোলনের পটভূমি :
জন্ম নিয়ন্ত্রণ (Birth control) আন্দোলন আঠারো শতকের
শেষাংশে ইউরোপে সূচনা হয়। সম্ভবত: ইংল্যান্ডের বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ
ম্যালথাসই (Malthus) এর ভিত্তি রচনা করেন। এ আন্দোলনের আসল উদ্দেশ্য হ’ল
বংশ বৃদ্ধি প্রতিরোধ। জনসংখ্যা বৃদ্ধির উচ্চহার দেখে মি. ম্যালথাস হিসাব
করেন, পৃথিবীতে আবাদযোগ্য জমি ও অর্থনৈতিক উপায়-উপাদান সীমিত। কিন্তু
বংশবৃদ্ধির সম্ভাবনা সীমাহীন। ১৭৯৮ সালে মি. ম্যালথাস রচিত An essay on
population and as it effects, the future improvment of the society.
(জনসংখ্যা ও সমাজের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে এর প্রভাব) নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম
তার মতবাদ প্রচার করেন। এরপর ফ্র্যান্সিস প্ল্যাস (Francis Place) ফরাসী
দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিরোধ করার প্রতি জোর প্রচারণা চালান। কিন্তু তিনি
নৈতিক উপায় বাদ দিয়ে ঔষধ ও যন্ত্রাদির সাহায্যে গর্ভনিরোধ করার প্রস্তাব
দেন। আমেরিকার বিখ্যাত ডাক্তার চার্লস নোল্টন (Charles knowlton) ১৮৩৩
সালে এ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন সূচক উক্তি করেন। তিনি তার রচিত The Fruits
of philosophy নামক গ্রন্থে সর্বপ্রথম গর্ভনিরোধের চিকিৎসা শাস্ত্রীয়
ব্যাখ্যা এবং এর উপকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাক্বলীদ – পর্ব ২
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাক্বলীদ – পর্ব ২
লেখকঃ শরীফুল ইসলাম , লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
তাক্বলীদ কার জন্য বৈধ ও কার জন্য অবৈধ :
মহান আল্লাহ কুরআন ও ছহীহ হাদীছে যাবতীয় বিধি-বিধান দানের
মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। রাসূলুললাহ (ছাঃ)-এর
ছাহাবীগণ ইসলামের বিধান মানার ক্ষেত্রে রাসূলুললাহ (ছাঃ) ব্যতীত অন্য কারো
তাক্বলীদ করতেন না। অনুরূপভাবে তাবেঈগণও
নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির তাক্বলীদ না করে কেবলমাত্র কুরআন ও সুন্নাহর
ইত্তেবা করতেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হ’ল, বর্তমান যুগে মুসলমানগণ ইসলামের
বিধান থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। এক্ষেত্রে মানুষ তিন ভাগে বিভক্ত :
Subscribe to:
Comments (Atom)